যুব বিচিত্রা প্রতিনিধি, ধর্মনগর ০৮ জানুয়ারি :- ন্যাশনাল রোড সেফটি মাসকে কেন্দ্র করে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও যানবাহন চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্মনগর ট্রাফিক দপ্তর ও পরিবহন দপ্তরের কর্মকর্তাদের যৌথ উদ্যোগে ধর্মনগর শহরের কলেজ চৌমুনি এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক অভিযান চালানো হয়।এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর (এমভিআই) অভিষেক মালাকার, এমভিআই সুকান্ত দেব, ধর্মনগর ট্রাফিক ইনচার্জ অতিকা রঞ্জন দাস সহ ট্রাফিক ও ভেহিকেল দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা। ব্যস্ততম কলেজ চৌমুনি এলাকায় দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে দুই চাকা ও চার চাকা যানবাহনের কাগজপত্র, হেলমেট ব্যবহার, সিটবেল্ট, লাইসেন্স ও অন্যান্য ট্রাফিক বিধি মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়।অভিযান চলাকালীন বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয় হেলমেটবিহীন বাইক চালকদের উপর। নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরিমানাও আরোপ করা হয়। তবে এই অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল শুধুমাত্র জরিমানায় সীমাবদ্ধ না থেকে সচেতনতা মূলক পদক্ষেপ গ্রহণ। হেলমেট না পরা বেশ কয়েকজন বাইক চালককে তাৎক্ষণিকভাবে হেলমেট প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে চলার জন্য কড়া বার্তা দেওয়া হয়।কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ হচ্ছে অসচেতনতা ও ট্রাফিক আইন অমান্য করা। হেলমেট ব্যবহার না করার ফলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই ন্যাশনাল রোড সেফটি মাস উপলক্ষে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
ট্রাফিক ইনচার্জ অতিকা রঞ্জন দাস বলেন, “আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার করলে অনেক প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব।”অন্যদিকে এমভিআই অভিষেক মালাকার ও এমভিআই সুকান্ত দেব জানান, আগামী দিনগুলিতেও এই ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এই অভিযানের ফলে কলেজ চৌমুনি এলাকায় সাময়িক যানজট সৃষ্টি হলেও সাধারণ মানুষ ট্রাফিক দপ্তরের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নিয়মিত এই ধরনের অভিযান হলে দুর্ঘটনার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে।ন্যাশনাল রোড সেফটি মাসকে সামনে রেখে ধর্মনগরে এ ধরনের উদ্যোগ সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
ন্যাশনাল রোড সেফটি মাস উপলক্ষে ধর্মনগরে যৌথ ট্রাফিক অভিযান
