টিকিটের দৌড়ঝাঁপ শুরু শাসক – বিরোধী সবদলেই, এবার দলীয় টিকিটের দাবীতে এগিয়ে এলেন বিশ্বজিৎ কৈরী

যুব বিচিত্রা প্রতিনিধি, শিলচর, ০৭ ডিসেম্বর :- আসন্ন ২০২৬ আসাম বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তৎপর শাসক বিরোধী সব দলের টিকিট প্রত্যাশীরা। এবার বিজেপির টিকিটের দাবিতে জেলা সভাপতির কাছে রাজনৈতিক বায়োডাটা পেশ করলেন বিশ্বজিৎ কৈরী। তিনি আসন্ন অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে সামনে রেখে ১২১ নম্বর হাইলাকান্দি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) টিকিটের দাবিতে নিজের রাজনৈতিক বায়োডাটা আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার ‌তিনি হাইলাকান্দি জেলা বিজেপির সভাপতি কল্যাণ গোস্বামীর কাছে তুলে দেন।এই কর্মসূচিতে বিজেপির একাধিক বরিষ্ঠ ও সক্রিয় নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে

উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রবীণ নাগরিক আনন্দ রায়, সুমন পান্ডে, হাইলাকান্দি টাউন মণ্ডল বিজেপি সভাপতি অমিতাভ কুমার দে (সানি), প্রবীণ আইনজীবী ও বিজেপি নেতা প্রীতিশ কুমার দাস, মিষ্টু নাথ, মৈপাক সিং, বিশাল শীল, শ্রীশ্রী প্রভু নারায়ণ করপাত্রি সাধু বাবাজি, বিজয় গোয়ালা, মুন্না রাই, রামরাজ রবিদাস, শিবা কুর্মি, সুমন দাস সহ আরও বহু নেতা-কর্মীদের সমর্থন পরিলক্ষিত হয় কৈরীর তরফে। বায়োডাটা প্রদান শেষে সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে কৈরী বলেন,‌ আমার ধর্মগুরু শ্রী শ্রী গৌতম মিশ্র মহারাজের আশীর্বাদ গ্রহণ করে আজ আমি

আমার রাজনৈতিক বায়োডাটা জেলা সভাপতির হাতে তুলে দিলাম। আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দলের কাজ করে যাচ্ছি এবং সমাজের জন্য কাজ করে আসছি।‌ তিনি আরও বলেন, দল যদি আমাকে টিকিট দেয় এবং জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে সমাজের উন্নয়ন ও হাইলাকান্দির সার্বিক উন্নয়নই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার অগ্রাধিকার থাকবে। আমি সবসময় জনগণের জন্য কাজ করেছি, করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাবো। হাইলাকান্দির বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি

বলেন, বর্তমানে এআইইউডিএফ এর তিনজন বিধায়ক হাইলাকান্দিকে ছিন্নভিন্ন করে রেখেছেন। বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই সমস্যাগুলির সমাধান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে বিশ্বজিৎ কৈরী বলেন, আমি ধোঁকাবাজ নই’ আমি কথা দিয়ে কথা রাখতে জানি’ অনেক রাজনীতিবিদ আছেন যারা ভোটের আগে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু নির্বাচনের পর জনগণের দিকে আর ফিরেও তাকান না। আমি সেই ধরনের মানুষ নই। আমি মাটির

মানুষ, ছোটবেলা থেকে সংগ্রাম করে বড় হয়েছি। জনগণের কষ্ট আমি নিজের জীবনে অনুভব করেছি। তাই কখনও জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা আমার অন্তর আত্মা মেনে নেবে না। নির্বাচিত হলে সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবো এটাই আমার অঙ্গীকার বললেন বিশ্বজিৎ কৈরী। তবে প্রশ্ন হলো কে কতটুকু নির্বাচন বৈতরণী পার হওয়ার পর অঙ্গীকার পরিপূর্ণ রাখেন? তবে লক্ষণীয় হবে কৈরী-র অঙ্গীকার কতটুকু সফলতা পায়!