সুরজিত দাস, পাঁচগ্রাম, ০৫ ফেব্রুয়ারি :- দিশেহারা বিরোধী শিবির চাইছে না উত্তর করিমগঞ্জে বিজেপি দল থেকে টিকিট পান মুন্নী ছেত্রী!
উল্লেখ্য ২০২৬শে এর নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই গোটা রাজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে বরাক উপত্যকায়ও বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ!

বিরোধী দলের সাথে সাথে শাসক দলের নেতাদেরও চলছে দিকে দিকে জনসংযোগ!
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক কঠিন ভাষণে সংখ্যালঘু মুসলিম ভোট বেশি থাকা কেন্দ্রগুলিতে বিপাকে ঘোরপাক খাচ্ছেন শাসক দলের নামীদামী নেতারা!
যার মধ্যে উত্তর করিমগঞ্জ আসন নিয়েও চলছে শাসক এবং বিরোধী দলের নেতাদের অনেক ঝাপাঝাপি! একদিকে বিরোধী দল কংগ্রেস / এআইইউডিএফে বিগত দিনে ভোট দিয়ে ভূক্তভোগী জনগণ যেমন খোঁজছেন নতুন মুখ ঠিক অন্যদিকে…
শাসক দলের মূখ্যমন্ত্রীর একতরফা হিংসাত্মক মূলক ভাষণে এবং স্থানীয় নেতাদের উদাসীনতায় জর্জরিত সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটাররাও চাইছেন শাসক দল থেকে এমন একটি ভরসার ব্যক্তিত্ব সমষ্টির প্রতিনিধিত্বে আসুক যে তরুণ প্রজন্ম থেকে হোক এবং যার মধ্যে উভয় সম্প্রদায়ের প্রতি গ্রহণ যোগ্যতা এবং দায়ীত্বশীলতা রয়েছে!
সেইক্ষেত্রে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে স্থানীয় নেতাদের!
কারণ অনেকেই আছেন পুরোনো ব্যক্তিত্ব যাদের মন মানসিকতা এবং কাজে তারুণ্যের সক্রিয়তার ছাপ নেই আবার অনেকেই আছেন যারা বয়সে যুবা ও নতুন মুখ কিন্তু সমষ্টির উভয় পক্ষের ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা নেই!
আবার অনেকেই আছেন পূর্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধির ক্ষমতায় থাকাকালীন কাজ নিয়ে জনগণ সন্তুষ্ট নন অতএব উনাদের দ্বিতীয় তৃতীয় সুযোগ দিতেও ভোটাররা নারাজ!
তবে এইসব রাজনৈতিক জল ঘোলার মধ্যেও দীর্ঘদিন থেকে সমাজ সেবায় জড়িত থাকা সমাজকর্মী মুন্নী ছেত্রী বলে একজন মহিলা টিকিট প্রত্যাশীর নাম প্রবল সম্ভাবনাময় হিসাবে হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে উঠে আসছে নির্বাচনী তর্জমায়!
গোটা বরাক উপত্যকার মধ্যে সমাজসেবী মুন্নী ছেত্রীই হচ্ছেন এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক ময়দানে আম জনসাধারণের প্রথম পছন্দের ব্যক্তিত্ব যাকে বিজেপি দল বা নির্দলীয় ভাবে হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের জনগণ বিপুল ভোট প্রদানে উৎসাহি হতে দেখা যাচ্ছে।
এমন কি মুন্নী ছেত্রীর গণসমর্থনে দলীয় নীতি নির্দেশীকা তুয়াক্কা না করে অনেক কংগ্রেস ভোটারাও প্রকাশ্যে এসে মুখ খুলে বলছেন মুন্নী ছেত্রী বিজেপি টিকিট পেলে আমরা বিজেপিতেও ভোট দিতে বাধ্য থাকবো মুন্নী ছেত্রীর আদর্শ এবং সমাজ সেবার প্রতি থাকা দায়িত্বশীলতার সম্মান জানাতে আমরা বদ্ধপরিকর।
অন্যদিকে বিশেষ সূত্রের খবর বিরোধী দলও চাইছে না উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা থাকা সমাজ কর্মী মুন্নী ছেত্রী বিজেপি দল থেকে টিকিট পান!
কারণ দীর্ঘদিনের সমাজসেবা মূলক কাজের মাধ্যমে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উনার বিশেষ একটা গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রভাব রয়েছে।
তাই এবার দেখার বিষয় শাসক দলের টিকিট বন্টনে কতটুকু সাধারণ ভোটারদের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা হয়? না কি অর্থের লড়াইয়ে প্রার্থী চয়ন সম্পন্ন হয় সময়ের অপেক্ষায় জনতা!
