ধর্মনগরে রাজ্যস্তরীয় ‘অটল কবিতা ও সাহিত্য উৎসব’-এর উদ্বোধন

যুব বিচিত্রা প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ২৫ ডিসেম্বর :- উত্তর ত্রিপুরার জেলা সদর ধর্মনগরের বিবেকানন্দ সার্ধ শতবার্ষিকী ভবনে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো রাজ্যস্তরীয় ‘অটল কবিতা ও সাহিত্য উৎসব – ২০২৫’। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই দুইদিনব্যাপী সাহিত্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় দুপুর ১২টায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়। পরে শিল্পীদের পরিবেশিত ‘বন্দে মাতরম’ সংগীতের মধ্য দিয়ে প্রদীপ প্রজ্বলন করে উৎসবের শুভ সূচনা করেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা, সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দরা। উদ্বোধনী পর্বে স্থানীয় শিল্পীগোষ্ঠীর সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় উদ্বোধনী সংগীত।এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ড. পি. কে. চক্রবর্তী (আইএএস)। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবী কাজল কুমার দাস, এসএলসিএসি-র সহ-সভাপতি সুব্রত চক্রবর্তী, প্রখ্যাত সাহিত্যিক তপস ভট্টাচার্য, এবং বাগবাসার বিধায়ক যাদব লাল দেবনাথ, উওর জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রান, ধর্মনগর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালি দাস সেন সহ অন্যান্যরা। মূল অতিথির ভাষণে মাননীয় মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, সাহিত্য ও কবিতা সমাজের চেতনাকে সমৃদ্ধ করে এবং নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী-র সাহিত্যিক অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে অটল বিহারী বাজপেয়ী লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় প্রাক্তন বিধায়ক ড. অতুল দেববর্মা-কে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে একটি স্মারক গ্রন্থের আনুষ্ঠানিক প্রকাশও করা হয়। সভাপতির ভাষণে উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ এই সাহিত্য উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়েই উদ্বোধনী পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিক ভাবে পুস্তক মেলার উদ্বোধন করেন। আগামী দুইদিন ধরে কবিতা পাঠ, সাহিত্য আলোচনা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সাহিত্য উৎসব চলবে।