১০২ কিমি বেগের টাইফুন তছনছ করল উপকূল! ভয়ংকর বন্যার আতঙ্কে ঘরছাড়া মানুষ, ব্যাহত সমস্ত পরিষেবা

সংবাদ সংস্থা, ২৩ জুলাই :- টাইফুন-তাণ্ডব? চারপাশে সব উড়ছে! স্কুলকলেজ বন্ধ! ট্রেন-ফেরি নেই! ৫০০ উড়ান বাতিল! ভংয়কর পরিস্থিতির মুখে ভিয়েতনাম। রাস্তায় নামা বিপজ্জনক হতে পারে, প্রবল বন্যারও সম্ভাবনা এই দেশে। টাইফুন তাণ্ডব। ট্রপিক্যাল স্টর্ম উইফা মঙ্গলবার আছড়ে পড়েছে উত্তর ভিয়েতনামে। যার ফলে দেশের উত্তর ও মধ্য অঞ্চলের কিছু অংশে ভয়ংকর হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় এই ঝড় স্থলভাগে আঘাত হানে, যার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার। স্থলভাগে প্রবেশ করার পর ঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। উইফা সোমবার পর্যন্ত সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় হিসেবে চিহ্নিত ছিল, তবে রাতে তা দুর্বল হয়ে পড়বে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার আগে ট্রপিক্যাল স্টর্মে পরিণত হবে। ঝড়ের প্রভাবে হানোই-এর পূর্বে হুং ইয়েন প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। রাজধানী হানোইয়ের

রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য। বেশিরভাগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল এবং শহর কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের ঘরে থাকতে ও দুর্বল বা বন্যাপ্রবণ ভবন থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। উত্তর ভিয়েতনামের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং হাই ফোং বন্দরনগরী ও কোয়াং নিন প্রদেশের বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ১,৫০,০০০ হেক্টর (৩,৭০,০০০ একর) জলজ চাষের খামার এবং ২০,০০০-র বেশি ভাসমান মাছের খাঁচা বন্যা ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভিয়েতনাম সরকার আগেই সতর্ক করেছিল যে, উইফা ঘূর্ণিঝড়ের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ব্যাপক বন্যা দেখা দিতে পারে। ২০২৩ সালে শেষ বার টাইফুন সাওলার জন্য় সতর্কতা জারি হয়েছিল। টাইফুন উইফার গতি ঘণ্টায় প্রায় ১১৮ কিলোমিটার হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।
একের পর এক দেশ প্রকৃতির কালান্তর রূপে র মুখে। কখন যেন কার ভাগ্যে জুটে প্রলয়ঙ্করী রূপ।