সংবাদ সংস্থা, ২৬ ডিসেম্বর :- শীতের দাপট পুরোপুরি টের পাচ্ছে বাংলা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে – চলতি মরসুমে এটাই শীতলতম দিন। স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১.৭ ডিগ্রি কম তাপমাত্রা। রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ – দুই বঙ্গেই কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশার দাপট স্পষ্ট।
দক্ষিণবঙ্গ ঠান্ডা বাড়লেও বড় বদলের ইঙ্গিত নেই :-
দক্ষিণবঙ্গে আগামী শনিবার পর্যন্ত ধীরে ধীরে পারদ নামতে পারে। তার পর দু’-তিন দিন তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। ৩১ ডিসেম্বর থেকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হবে পারদ, নতুন বছরের শুরুতে ২ – ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তবে বড়সড় কোনও আবহাওয়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা, পরে আকাশ পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাও নেই।
উত্তরবঙ্গ কুয়াশা ও শীতল দিনের সতর্কতা :-
উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ আরও তীব্র। কোচবিহারে জারি হয়েছে শীতল দিনের চরম সতর্কতা। রাতের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে নামতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪ – ৫ ডিগ্রি কম থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে আজ ও কাল ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারেরও কম হতে পারে।
কলকাতা ও রাজ্যের তাপমাত্রা চিত্র :-
কলকাতায় সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা, পরে পরিষ্কার আকাশ। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১.২ ডিগ্রি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৮ থেকে ৯৩ শতাংশ।
আজ বিভিন্ন জায়গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (ডিগ্রি সেলসিয়াসে) :-
দার্জিলিং ৩.৮, আলিপুরদুয়ার ৮, শ্রীনিকেতন ৮, হাওড়া ১১, দীঘা ১১.৬, কল্যাণী ৯, সিউড়ি ৮.৯, সল্টলেক ১১.৮।
দেশের শীতলতম স্থান জোজিলা পাসে পারদ নেমেছে মাইনাস ৫ ডিগ্রিতে, নাথুলা পাসে মাইনাস ৪।
ভিন রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহ :-
দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান ও ঝাড়খণ্ডে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। বিহার, সিকিম, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশেও শীতল দিনের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।
সব মিলিয়ে, বছরের শেষটা কাটছে কনকনে ঠান্ডায় – নতুন বছরে সামান্য উষ্ণতার ছোঁয়া পেলেও শীতের আমেজ আপাতত বজায় থাকছেই।
