‘অপারেশন সিঁদুরে’র থাপ্পড়েও শিক্ষা হয়নি – পাকিস্তানের!
সংবাদ সংস্থা, ০৬ নভেম্বর :- অপারেশন সিঁদুরেও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানি তালিবানদের!
আবারো জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ছক? সেই পাকিস্তানের মদতেই? অপারেশন সিঁদুর কি মনে রাখেনি পাকিস্তান?
অপারেশন সিঁদুরেও শিক্ষা হয়নি? অন্তত তেমনই মনে হচ্ছে কেননা, শোনা যাচ্ছে, ফের জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ছক কষছে পাকিস্তান! পাল্টা জবাব অবশ্য দিয়েছিল ভারত। মনে রাখার মতো করেই দিয়েছিল। কিন্তু এ খবর শুনে মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, এত কিছুর পরেও তা মনে রাখেনি পাকিস্তান। তাই থেমে থাকছে না পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কার্যকলাপও। চলতি বছরের এপ্রিলে জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। বেছে বেছে ধর্ম পরিচয় জেনে হত্যা করা হয়েছিল। এর পরই এর পাল্টা জবাব দিয়েছিল ভারত। অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে। গোপন রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদ আবার কাশ্মীর উপত্যকায় হামলার ছক কষছে! ভয়ংকর! এই দুটি গোষ্ঠী নাকি ফের ছানবিন করে দেখছে, কীভাবে ভারতে ঢোকা যায়, কী ভাবে সীমান্তের ওপার থেকে অস্ত্রশস্ত্র আনা যায়! দাবি, একাধিক লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের ইউনিট নিয়ন্ত্রণ রেখার আশপাশ দিয়ে জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে। তাদের এই অনুপ্রবেশে মদত দিয়েছে পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ ও আই. এস. আই-র সদস্যরা। জানা গিয়েছে, শামশের নামক এক জঙ্গির নেতৃত্বে লস্করের একটি ইউনিট ভারতে শুধু ঢুকেই পড়েনি, ড্রোন উড়িয়ে তারা সেখানকার এরিয়াল সার্ভেও করেছে! চিহ্নিত করেছে নিয়ন্ত্রণ রেখায় কোথায় কোথায় ফাঁক! আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হয়তো তারা ভারতে আত্মঘাতী হামলা করতে পারে। কিংবা করতে পারে ড্রোন-অ্যাটাক। আরও জানা গিয়েছে, অক্টোবরেই পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল জামাত-ই-ইসলাম, হিজবুল মুজাহিদিন ও আইএসআই। তারা জঙ্গি সেলগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছে। না, ভারত নিশ্চয়ই হাত গুটিয়ে বসে নেই! নয়া দিল্লির গোয়েন্দাদের কানে এই খবর ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে। আর তাঁদের কানে এই ভয়ংকর খবর যেতেই তাঁরা শুরু করে দিয়েছেন নিজেদের কাজ।
