রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির অর্থ প্রার্থনা, তাতে সাড়া দিয়ে বহু মানুষ বিপুল দান করেছেন। সেই অভূতপূর্ব সাড়ায় আপ্লুত রামমন্দির কর্তৃপক্ষ!
সংবাদ সংস্থা, ০৩ নভেম্বর :- আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন সকলে। এত টাকা! রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য যে-দান বা প্রণামী আহ্বান করা হয়েছিল, তার হিসাব সম্পূর্ণ হলো। কত টাকা? জানা গিয়েছে, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য জনসাধারণের কাছ থেকে এসেছে ৩০০০ কোটি টাকারও বেশি (Over Rs 3000 crore came from public)। এই খবর জানালেন মন্দির নির্মাণ কমিটির প্রধান (Temple Construction Panel Chief)। বিশাল অনুদান
রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র কয়েক দিন আগে অযোধ্যায় জানিয়েছেন যে, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য যে-অর্থ প্রার্থনা করা হয়েছিল, তাতে সাড়া দিয়ে বহু মানুষ দান করেছেন। হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, সেটার পরিমাণ ৩০০০ কোটি টাকারও বেশি! এমন বিশাল অঙ্কের অনুদান জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
দান-খরচের হিসাব :-
রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র আরও বলেন, এই মন্দির প্রকল্পের মোট আনুমানিক খরচ প্রায় ১৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার বিলিং ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকিটার জন্য হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
দাতাদের সম্মাননা :-
রামমন্দির কর্তৃপক্ষ এই দান পেয়ে আপ্লুত। তাঁদের তরফে নৃপেন্দ্র মিশ্র জানান, ২০২২ সালে তহবিল সংগ্রহের অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে দেশ জুড়ে মিলেছিল অভূতপূর্ব সাড়া। আর ভক্তেরা উদারভাবে এই কল্পে দান করেছেন। তাতে খুবই আহ্লদিত রামমন্দির কর্তৃপক্ষ। তাই আগামী ২৫ নভেম্বরে রাম মন্দিরে যে ধ্বজারোহণ অনুষ্ঠান (রামমন্দিরের চূড়ায় পতাকা উত্তোলন) হবে তাতে সমস্ত দাতাকে (২০২২ সালের পরেও যাঁরা দান করেছেন) আমন্ত্রণ জানানো হবে। সম্মানও জানানো হবে। নির্মাণকাজে অবদান রাখা সংস্থা সরবরাহকারী এবং কর্মীদেরও সম্মান জানানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী :-
নৃপেন্দ্র মিশ্র আরও জানান, ধ্বজারোহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মন্দিরের চূড়ায় পতাকা উত্তোলন তিনিই করবেন। এই অনুষ্ঠানে বহু ভক্তকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। জানা গিয়েছে, রামমন্দিরে এই মুহূর্তে ভক্তদের ধারণক্ষমতা যথেষ্ট। মূল মন্দিরের ভেতরে একবারে ৫০০০ থেকে ৮০০০ ভক্তের থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
