যুব বিচিত্রা প্রতিনিধি, শিলচর: সম্প্রতি, মোবাইল চুরির ঘটনায় উত্তপ্ত হোটেল চত্বর, বেরিয়ে আসলো মুখোশধারী দের কালো ধান্ধা!
বহুরূপী বেপারী,না চিকিৎসা সেবা প্রদান? না স্পা – র মাধ্যমে মনোরঞ্জন প্রদান! বুঝা মুশকিল
এবার খোদ নিজের কর্মচারী র রোষানলে ড° জে পি দাস , এমনকি অফিস গৃহ থেকে নিজের বাহন কর্মচারীর রোষানলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়:

উল্লেখ্য,
ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে নাম জড়ালো শিলচরের পারিজাত হোটেল কাম রেস্টুরেন্ট। এবার হোটেলের দুই মহিলা কর্মীর রেষারেষিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে গোটা হোটেল চত্ত্বরে।
হোটেলের সামগ্রী সহ গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছুটে আসতে হয় শিলচর সদর পুলিশকে।
ঘটনার বিবরণ মতে জানা গেছে মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে।
বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে পারিজাত হোটেল কাম রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে । অবৈধ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে জনমনে!
এদিকে মোবাইল চুরি র ঘটনায় লুকিয়ে থাকা বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে জনসমক্ষে, পারিজাত হোটেল কাম রেষ্টুরেন্ট কি ঠিক ই দেহ ব্যবসার ঘাটীতে পরিণত?
বিষ্ফোরণ ঘটায় নিজের কর্মচারী ই!
রিসিপশনিস্ট শর্মিলা দাস সংবাদvg মাধ্যম কে জানিয়, মোবাইল চুরির ঘটনায় জড়িত নেন্সি, নন্দিনী, সুস্মিতা,পায়েল ও রিয়া নামের যুবতীরা দীর্ঘদিন যাবৎ হোটেলে স্পার কাজে জড়িত রয়েছেন।এবং শুরু থেকেই রিসিপশনিস্ট শর্মিলার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না। মোবাইল চুরি করে তাঁরা শর্মিলাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ। মোবাইল চুরির ঘটনাটি সিসি ক্যামরায় বন্দী হওয়ায় বিষয়টি স্বত্তাধিকারীকে জানানোয় ঘটনার সুত্রপাত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিসিপশনিস্ট শর্মিলা দাস।
এদিকে অভিযুক্ত যুবতীরা জানান, পারিজাত হোটেল কাম রেস্টুরেন্টে স্পার কাজে জড়িত কর্মীদের ডঃ জে.পি দাস খোসামদ করেন, এবং রিসিপশনের কর্মীদের বেতন টুকুও সময়মতো প্রদান করা হয়না বলে অভিযোগ।
হোটেলের প্রত্যেক স্পা-রুমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে বলে ডঃ জে.পি. দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়েছেন তাঁরা।
তবে পারিজাত হোটেল কাম রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে,তবে ও ঘুম ভাঙেনি জেলা প্রশাসন সহ রাজনৈতিক – অরাজনৈতিক দল সংগঠনের!
আসলে কি ড° জে পি দাস চিকিৎসক? না কি Unisex Spa র স্বত্বাধিকারী? না কি অন্যধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে লিপ্ত? প্রশ্ন শহরের সচেতন নাগরিক দের।
ড° জে পি দাস কে তদন্তের আওতায় আনলে বেরিয়ে আসবে নিত্য নতুন বিভিন্ন কালো অধ্যায়! এমনটাই সুর চড়ালেন শহরের সচেতন মানুষ:
