সংবাদ সংস্থা, ০৯ অক্টোবর :- বাধ্য হয়ে ৮৫ বছরের মার্কিন নাগরিক ও অবসরপ্রাপ্ত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. অশোকা জয়াওয়ীরা বিমানে আমিষ খাবার খেতে গিয়ে দম বন্ধ হয়ে মারা যান।
কাতার এয়ারলাইন্সের এক বিমানে মাংস খেতে হলো এক নিরামিষাশী যাত্রীকে। তারপরই গলায় খাবার আটকে মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে তাঁর। ঘটনাটি ঘটেছে কাতার এয়ারওয়েজ়-এর লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে কলম্বোগামী বিমানে। ৮৫ বছরের নিরামিষাশী ওই যাত্রী দীর্ঘ বিমানযাত্রায় নিরামিষ খাবারের অর্ডার দিয়েছিলেন। যদিও বিমানকর্মীরা জানান নিরামিষ খাবার নেই। বাধ্য হয়ে আমিষ খাবার খান ওই বৃদ্ধ। অভিযোগ, এরপরেই তিনি অসুস্থ বোধ করেন। তারপরই তাঁর মৃত্যু হয়।
বছর দুয়েক আগের ওই ঘটনায় সম্প্রতি নতুন করে নানা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এর পরেই বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছেন মৃত যাত্রীর পুত্র। ঘটনাটি ২০২৩ সালের ৩০ জুনের। ১৫.৫ ঘণ্টার যাত্রায় নিজের জন্য নিরামিষ খাবার অর্ডার করেছিলেন আদ্যান্ত নিরামিষাশী ড. অশোকা। যদিও বিমানকর্মী জানান, নিরামিষ খাবার নেই। বিপাকে পড়ে মাংস খেতে রাজি হন অশীতিপর যাত্রী।
কেবিন ক্রু তাঁকে বলেছিলেন, কোনও নিরামিষ খাবার নেই। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, মাংস খাওয়ার সময় খাবারটি গলায় আটকে যায়, এবং শ্বাস নিতে না পেরে ড. জয়াওয়ীরা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাঁকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মোট কথা একটি বিমান সংস্থা তাঁর গাফিলতি কোনভাবেই স্বীকার করবে না,যদি খাবার খাওয়াতেই হতো তাহলে সঠিক ব্যবস্থা করে দিলো হয়তো তেমন মৃত্যু সংগঠিত হতো না বলে অভিযোগ পুত্র সহ পরিবারের।
এবার বিমান সংস্থার উপর দায়ের করা মামলায় আদালত কি নেয় পদক্ষেপ তা হবে লক্ষণীয় :-
