উৎসর্গ রায়, ০৪ অক্টোবর :- দেশের যেকোনো স্থানে যাত্রা করবেন!
এই স্টেশনে ই পাবে সব ট্রেন শুনুন কি নাম এই স্টেশনের :-
এই জংশনে রয়েছে ১০টি প্ল্যাটফর্ম। ওই দশটি প্লাটফর্মই সামলায় বিপুল যাত্রীর চাপ। ফলে স্টেশনে রাখতে হয়েছে যাত্রী সুরক্ষা ও সাচ্ছন্দের বিভিন্ন ব্যবস্থা!
দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে রেলের বিশাল নেটওয়ার্ক। রেলের সেই জাল ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া যায়। কিন্তু দেশে এমন একটি স্টেশন রয়েছে যেখান থেকে দেশের যে কোনও প্রান্তে যাওয়ার ট্রেন পাওয়া যায়। কোথায় রয়েছে সেই স্টেশন?
উত্তর ভারত ও মধ্য ভারতের বহু ট্রেন যায় উত্তর প্রদেশের উপর দিয়ে। এই উত্তর প্রদেশেই রয়েছে মথুরা জংশন। এই মথুরা থেকেই পাওয়া যায় দেশের সব প্রান্তের ট্রেন। নর্থ সেন্ট্রাল রেল জোনের আওতায় থাকা মথুরা জংশন গোটা দেশের একটা লাইফলাইন বলা যায়। দেশের সব প্রান্তের পৌঁছনোর ট্রেন পাওয়া যায় এই মথুরা জংশনের উপর দিয়ে।
দেশের অন্যতম ব্যাস্ত স্টেশন মথুরা জংশন। রোজ এই স্টেশনে থামে ১৯৭ টি দূরপাল্লার ট্রেন। ওইসব প্রিমিয়াম ট্রেনের মধ্যে রয়েছে রাজধানী এক্সপ্রেস, দূরন্ত এক্সপ্রেস, শতাব্দী এক্সপ্রসের মতো ট্রেন। সবেমিলিয়ে মথুরা জংশন একটি ট্রানজিট পয়েন্ট।
মথুরা থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ট্রেন মেলে মথুরা থেকে। এর মধ্যে রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল, ওড়িশা, অন্ধ্র, বিহার, রাজস্থান – সহ একাধিক রাজ্য।
মথুরা জংশনে রয়েছে ১০টি প্লাটফর্ম। ওই দশটি প্লাটফর্মই সামলায় বিপুল যাত্রীর চাপ। ফলে স্টেশনে রাখতে হয়েছে যাত্রী সুরক্ষা ও সাচ্ছন্দের বিভিন্ন ব্যবস্থা। মথুরা এমনিতেই শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। তাই রোজ বহু মানুষ আসেন মথুরায়। হোলি ও জন্মাষ্টমীতে বিপুল মানুষের ভিড় হয় মথুরায়।
মথুরা থেকে ছাড়ে মোট ১২টি দূরপাল্লার ট্রেন। পাশাপাশি ২০৩টি স্টেশনের হল্ট রয়েছে মথুরায়। সম্প্রতি স্টেশনের ৯, ১০ ও ১১ নম্বর স্টেশনের সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফলে যাত্রীদের আরও সুবিধে হয়েছে।
