সংবাদ সংস্থা, ২৪ ডিসেম্বর :- বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ সরকার। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আপাতত সব ধরনের কনস্যুলার পরিষেবা ও ভিসা প্রদান বন্ধ রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
সোমবার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত নোটিশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলেও, এর নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভারতের উপর রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করেছে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশজুড়ে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনায় উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছাত্রনেতা খুন, সংবাদপত্রের অফিসে অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘু যুবককে পুড়িয়ে হত্যার মতো ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। সোমবার খুলনায় এক ছাত্রনেতাকে গুলি করার ঘটনাও নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
এই অস্থিরতার মধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ ও তাণ্ডব চালানো হয়। রাজশাহী ও খুলনাতে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রামের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক জায়গায় ভিসা কেন্দ্র ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়ার জেরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর একটি সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখিয়ে বাংলাদেশিদের ভারত ত্যাগের হুমকি দেয়। যদিও হাইকমিশন জানিয়েছে, তাদের কূটনৈতিক এলাকা অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সেখানে উগ্র বা অপ্রকাশিত গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ কার্যত অসম্ভব। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
অন্যদিকে, রাজশাহীতে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তাঁদের বক্তব্য, দাবি না মানা হলে তারা ‘হাতে অস্ত্র তুলতেও পিছপা হবেন না’। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনার পর সেখানে সব ধরনের ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভারতের পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির বিদেশ বিষয়ক শাখার চেয়ারম্যান শশী থারুর সম্প্রতি মন্তব্য করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বর্তমান পরিস্থিতিই ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে এই টানাপোড়েন আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয়দের ভিসা পরিষেবা স্থগিত করল বাংলাদেশ, কূটনৈতিক মহলে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ:-
সংবাদ সংস্থা ২৪ শে ডিসেম্বর:-
বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ সরকার। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আপাতত সব ধরনের কনস্যুলার পরিষেবা ও ভিসা প্রদান বন্ধ রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
সোমবার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত নোটিশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলেও, এর নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভারতের উপর রাজনৈতিক ও কৌশলগত চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করেছে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশজুড়ে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনায় উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছাত্রনেতা খুন, সংবাদপত্রের অফিসে অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘু যুবককে পুড়িয়ে হত্যার মতো ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। সোমবার খুলনায় এক ছাত্রনেতাকে গুলি করার ঘটনাও নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
এই অস্থিরতার মধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ ও তাণ্ডব চালানো হয়। রাজশাহী ও খুলনাতে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রামের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক জায়গায় ভিসা কেন্দ্র ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়ার জেরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর একটি সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখিয়ে বাংলাদেশিদের ভারত ত্যাগের হুমকি দেয়। যদিও হাইকমিশন জানিয়েছে, তাদের কূটনৈতিক এলাকা অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সেখানে উগ্র বা অপ্রকাশিত গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ কার্যত অসম্ভব। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
অন্যদিকে, রাজশাহীতে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তাঁদের বক্তব্য, দাবি না মানা হলে তারা ‘হাতে অস্ত্র তুলতেও পিছপা হবেন না’। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনার পর সেখানে সব ধরনের ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভারতের পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির বিদেশ বিষয়ক শাখার চেয়ারম্যান শশী থারুর সম্প্রতি মন্তব্য করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বর্তমান পরিস্থিতিই ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে এই টানাপোড়েন আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।
