ক্রীড়া সংবাদ, ১৬ সেপ্টেম্বর :- আর পার পাবে না ভারত! এবার এলো ভয়ংকর আপডেট, পাকিস্তানের সঙ্গে হাত না মেলানোয় বড় মাশুল? নিয়ম সাফ বলছে।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে, গত রবিবাসরীয় রাতে এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পর থেকেই করমর্দন কাজিয়া তুঙ্গে! সূর্যকুমার যাদবরা খেলার শেষে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রথাগত করমর্দন এড়িয়ে যান পহেলগাঁও কাণ্ডের প্রতিবাদে। এহেন উপেক্ষায় পাকিস্তানের গায়ে বিরাট ফোস্কা পড়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা একদিকে যেমন ফুঁসছেন, তেমনই ফেটে পড়েছে পিসিবি-র প্রশাসকরাও। পাকিস্তানের মতে এই ঘটনা ‘আনস্পোর্টিং’ বা অখেলোয়াড়সুলভ। তারা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছে। পিসিবি বিবৃতি দিয়ে

জানিয়েছে, ‘দলের ম্যানেজার, নাভেদ চিমা ভারতীয় খেলোয়াড়দের করমর্দন না করার আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। টসের সময়ে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট আমাদের অধিনায়ক সলমান আলি আগাকে তাঁর ভারতীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে করমর্দন করতে না বলেছিলেন। অখেলোয়াড়চিত এবং খেলার বিরোধী বলেই মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ আমরা আমাদের অধিনায়ককে ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে পাঠাইনি।’ পাকিস্তানের ‘এ স্পোর্টস’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, ভারতের পদক্ষেপ এবং ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের আচরণের

প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পিসিবি, তাদের এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে। বিক্ষোভ দায়েরের আগে কয়েক ঘন্টা বিলম্বের কারণে বোর্ড অসন্তুষ্ট ছিল বলেই জানা গিয়েছে। এখন প্রশ্ন ভারত কি এহেন আচরণের জন্য শাস্তি পেতে পারে? আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের টি ২০আই ম্যাচের কন্ডিশন প্রসঙ্গে যে প্রস্তাবনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে,’প্রতিপক্ষের সাফল্যে অভিনন্দন জানান। এবং নিজের দলের সাফল্যও

উপভোগ করুন। ম্যাচ শেষে ফলাফল যাই হোক না কেন, কর্মকর্তাদের এবং প্রতিপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।’ আইসিসি-র আচরণবিধির ২.১.১ ধারায় ‘খেলার চেতনার পরিপন্থী আচরণ’কে লেভেল ওয়ান অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও আইসিসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করেনি। তবে সূর্যকুমারদের করমর্দন না করার

সিদ্ধান্তকে ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেট’-এর লঙ্ঘন হিসেবে দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্র আইসিসি অধিনায়কের উপর জরিমানা আরোপ করতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ খুব বেশি নয়।

