সাইক্লোন ‘দিতোয়া’-র তাণ্ডবে মৃত ১৫৯, নিখোঁজ ২০৩, ঘোষণা হলো জরুরি অবস্থা

সংবাদ সংস্থা, ৩০ নভেম্বর :- মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় শ্রীলঙ্কা থেকে ঘুরে ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। গত বুধবার ল্যান্ডফল করার পর বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট ধীরে ধীরে কমছে

সাইক্লোন ‘দিতোয়া’-র তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কায় প্রাণ হারালেন ১৫৯ জন। খোঁজ নেই ২০৩ জনের। এরকম এক পরিস্থিতিতে দেশে জুরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। গত কয়েকদিন ধরে টানা ভয়ংকর বৃষ্টি, প্রবল ঝড়, বন্যা ও ধসের কবলে পড়ে কয়েক লাখ মানুষ এখন ঘরছাড়া। বহু মানুষে বাড়িঘর চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দেশের প্রায় ৮ লাখ মানুষ ঘূর্ণিঝড় দিতোয়া-য় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির সবটা এখনও সামনে আসেনি। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় শ্রীলঙ্কা থেকে ঘুরে ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। গত বুধবার ল্যান্ডফল করার পর বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট ধীরে ধীরে কমছে। ফলে টানা এই কদিনের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বিপুল মানুষের জনজীবন। শনিবারও দেশের নীচু অঞ্চলগুলিতে বন্যার তাণ্ডব দেখা গিয়েছে। ফলে সরকার ওইসব জায়গা থেকে মানুষজনকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষকরে কেলানি নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে মানুজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্তদের ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সেনা নামানো হয়েছে। পাশাপাশি সেনা কপ্টার ও বোট উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে। তার পরেও যেন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০০৩ সালে এক বিধ্বংসী বন্যা হয়েছিল। তার পর থেকে এত মানুষের মৃত্যু আর কেনাও প্রকৃতিক বিপর্যয়ে হয়নি। সেবার বন্যায় মৃত্যু হয়েছিল ২৫৪ জনের।