উশৃঙ্খল চাপর নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রতিনিধি সহ ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন, শীঘ্রই উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি
আদালত বনাম প্রশাসন, অবমাননা, নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ, প্রশ্ন আইন শৃঙ্খলা নিয়ে
আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি,নাকি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ প্রশাসন, প্রশ্ন সচেতন নাগরিকের!
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা BNS বলছে, তদন্ত ক্রমে ৭২ ঘন্টার মধ্যে এজাহার পঞ্জীয়ন অর্থাৎ FIR Register বাধ্যতামূলক, কিন্তু তার বিপরীত দৃশ্যে চাপর।
মামলার বেশ কদিন পার হলেও নেই কোনো ভূমিকা পুলিশের।
কার পকেটে চাপর পুলিশ,কার ইশারায় উঠে বসে চাপর পুলিশ প্রশাসন??
এবার রাজ্যে পুনরায় মরেল পুলিশিংয়ের ঘটনা জনসমক্ষে , পুলিশের অনুপস্থিতিতে নয়, বরং পুলিশের সামনেই চরম উপদ্রব, গুন্ডা গিরি আক্রমণাত্মক সাধারণ খেটে খাওয়া কর্মচারীর উপর।
আদালতের নির্দেশের বিপরীত মেরুতে ধুবড়ি জেলার চাপর পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা, প্রশ্ন আদালত অবমাননা নাকি সরকারের রাজস্ব আদায়ে ব্যাঘাত ঘটনাই লক্ষ্য পুলিশ ও প্রশাসনের?
সরকারি বৈধ অনুজ্ঞা পত্র থাকা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং কর্মচারীর সুরক্ষার নির্দেশ দেয় আদালত, অন্যদিকে পুলিশ সামনে থেকে খেটে খাওয়া কর্মচারীর উপর হামলায় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চাপর পুলিশ, উঠেছে বহু অভিযোগ।
আমাদের হাতে রয়েছে এক্সক্লুসিভ ভিডিও, যেখানে সরাসরি আপনারা দেখবেন নিরাপদ আশ্রয় পুলিশ হলে ও তাঁর সামনেই যেন সমষ্টির স্বঘোষিত ডন ( জনৈক বিধায়ক ঘনিষ্ঠ) দিলীপ অধিকারীর আক্রমণাত্মক চিন্তন।
কার ইশারায় চলছে ধুবড়ি জেলার চাপর অঞ্চলের প্রশাসন যন্ত্র?
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ পুলিশ আবার সরকারের রাজস্ব আদায়ে বাঁধার সৃষ্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে ধুবড়ি জেলার চাপর পুলিশ।
এমন অদ্ভুত ঘটনা চাপর থানাধীন অঞ্চলে, পুলিশের সামনেই আইন হাতে নিয়ে বিধায়ক ঘনিষ্ঠ স্বঘোষিত ডন দিলীপ অধিকারী সহ তাঁর দলের আক্রমণ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের উপর, নিরাপত্তাহীনতায় চাপর পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে এজাহার দেওয়ার ৭২ ঘন্টার অধিক সময় পার হলেও নেই কোনো হেলদোল পুলিশের?
শীঘ্রই চাপর পুলিশ প্রশাসন স্বঘোষিত ডনদের বিরুদ্ধে কি নেয় পদক্ষেপ তা হবে লক্ষণীয়!