লঘু উদ্যোগ ভারতীর বৃহৎ সফলতা, শ্যামাসিদ্ধা ৩.০ দুদিনব্যাপী আয়োজন মহানগরীতে
সানি রায়, গুয়াহাটি: লঘু উদ্যোগ ভারতীর বৃহৎ সফলতা যেন স্বস্তির বার্তা দিল ক্ষুদ্র শিল্প বাণিজ্য মহলকে। গৌহাটি মহানগরীর রুক্মিণী গাঁও সংলগ্ন একটি ভবনে বৃহৎ পরিসরে আয়োজিত হয় দুদিনব্যাপী বাণিজ্য মেলা তথা শ্যামাসিদ্ধা এক্সিবিশন। এতে কম করেও ৭০ র কাছাকাছি স্টল বসেছে। এগুলো স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্প,হাতে তৈরী মাটির সামগ্রী, আতসবাজি, হাতে তৈরী খাদি কাপড়ের বিভিন্ন কালেকশন, মহিলাদের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত বিভিন্ন রকমারি কালেকশন সহ গৃহ সাজানো আইটেম ছাড়াও খাদ্য-সামগ্রী , শীতবস্ত্র সহ বিভিন্ন অলঙ্কার ইত্যাদি নিয়ে একটি সফল লঘু উদ্যোগ দর্শক এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার তৎসহ আকর্ষণ কেড়েছে। উল্লেখ্য, এই উদ্যোগ নিয়েছে এবার লঘু উদ্যোগ ভারতীর একমাত্র মহিলা সংগঠন। তাদের এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে মহানগরীর সর্বত্রে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে কেন্দ্র সরকারের কনসিউমার এফেয়ার্স, তথা খাদ্য ও গণবন্টন এবং পরীক্ষণ ও ভোক্তা বিভাগ। এদের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে এদিন ‘যুব বিচিত্রা’ কে স্পষ্টভাবে বিস্তারিত তুলে ধরেন বৈজ্ঞানিক অনন্ত রাজশেখর,তিনি বলেন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ রয়েছে যার দায়িত্ব হলো আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে গুণগতমান নির্ণয় এবং পরবর্তীতে বাজারজাত করার অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য ছাড়পত্র পেয়ে পণ্যসামগ্রীর নির্ণয় সম্পন্ন হয়। যেখানে খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে নিত্য ব্যবহার্য সকল ধরনের পণ্যের পরীক্ষা- নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে। তাঁর জন্য নির্ধারিত সরকারি www.nth.gov.in ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা করেই বাজারজাত করা বাঞ্চনীয়। তৎসঙ্গে সরকারের জনসুরক্ষার স্বার্থে রাজ্য সরকারের গণবন্টন এবং খাদ্য ও অসামরিক বিভাগ সহ অন্যান্য বিভাগ সক্রিয় সহযোগিতায় এগিয়ে আসলেই যেন কেন্দ্র সরকারের এই অভিযান বা বিভাগের কর্মযজ্ঞ সঠিক রূপ নেবে, সুরক্ষিত থাকবে জনগণ বললেন রাজশেখর।এদিন উক্ত দুদিনব্যাপী আয়োজন ছিল ব্যতিক্রমী আয়োজন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের জাগরিত করতে লঘু উদ্যোগ ভারতীর এই প্রয়াস যেন কৃতজ্ঞতা লাভ করে এবং তাদের এই বাণিজ্য বিস্তারের জন্য সরকার প্রদত্ত ঋণ পরিষেবার উপর লঘু উদ্যোগ ভারতীর রয়েছে বিশেষ প্রচেষ্টা। তাই তাদের উদ্যোগ আগামী দিনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বাণিজ্য সহ আত্মনির্ভর ভারত গড়ার এক সুগম প্রয়াস হবে বলে ধারণা বুদ্ধিজীবী নাগরিকের।