Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
yubobichitra.com yubobichitra.com yubobichitra.com
yubobichitra.com yubobichitra.com yubobichitra.com
  • হোম
  • ম্যাগাজিন
  • আঞ্চলিক
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
  • জাতীয় খবর
  • জীবন নির্দেশনা
  • ধর্মকথা
  • বাণিজ্যিক
  • বিনোদন
  • রাজনৈতিক
  • রাজ্য
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

About This Site

This may be a good place to introduce yourself and your site or include some credits.

Recent Posts

  • লোকগানের প্রাণ সাধক কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যেরজীবন, সংগীত চর্চা ও অকাল প্রয়াণের কিছু স্মরণীয় স্মৃতি!
  • বিহারে ২.৫ লক্ষ BPL পরিবারে রুফটপ সোলার, সৌরবিদ্যুতের আওতায় ২২০০ কৃষি ফিডার
  • শিলচর পৌরনিগম নির্বাচন ২০২৬: মনোনয়ন জমা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি
  • ভিএইচপির ৬২তম প্রতিষ্ঠা দিবসের বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাঙালি জাতীয় পরিষদের তিনসুকীয়া জেলা কমিটি গঠিত, বাঙালি স্বার্থে আন্দোলন জোরদারের হুঙ্কার !

Meta

  • Log in
  • Entries feed
  • Comments feed
  • WordPress.org

Contact Us

Address
Odal Bakra Main Road, Lal Ganesh, Guwahati, Assam 781034

Phone +91 9401159452

Email yubobichitra@gmail.com

  • হোম
  • ম্যাগাজিন
  • আঞ্চলিক
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
  • জাতীয় খবর
  • জীবন নির্দেশনা
  • ধর্মকথা
  • বাণিজ্যিক
  • বিনোদন
  • রাজনৈতিক
  • রাজ্য
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
ম্যাগাজিন
Close

Search

সম্পাদকীয়

লোকগানের প্রাণ সাধক কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যেরজীবন, সংগীত চর্চা ও অকাল প্রয়াণের কিছু স্মরণীয় স্মৃতি!

Avatar photo
By নিউজ ডেস্ক যুববিচিত্রা
September 12, 2026 3 Min Read
0

বাংলার লোকসংগীতের আকাশে কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য ছিলেন এক উজ্জ্বল অথচ অকাল নিভে যাওয়া নক্ষত্র। তিনি শুধু গান গাইতেন না—গানের ভিতরে লুকিয়ে থাকা মাটি, মানুষ, ইতিহাস, শ্রম, বেদনা ও আনন্দকে খুঁজে বেড়াতেন। লোক গানকে তিনি শহুরে বিনোদনের সামগ্রী হিসেবে দেখেননি; দেখেছিলেন মানুষের জীবন ও সভ্যতার স্মৃতি হিসেবে।কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৭০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অসমের শিলচরে। সংগীতময় পারিবারিক পরিবেশেই তাঁর বেড়ে ওঠা। ছোটবেলা থেকেই তাল ও সুরের প্রতি তাঁর গভীর আকর্ষণ তৈরি হয়। প্রথমদিকে তবলা ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের প্রতি তাঁর আগ্রহ জন্মায়; পাশাপাশি তিনি কণ্ঠ সংগীতেরও প্রশিক্ষণ নেন।তাঁর সংগীত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল তাঁর কাকা অনন্ত ভট্টাচার্যের। অনন্তের কাছ থেকেই কালিকা প্রসাদ লোকগানের বিস্তৃত জগতের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত হন। পারিবারিকভাবে সংগৃহীত সিলেট ও উত্তর-পূর্ব ভারতের লোকগানের ভাণ্ডারও তাঁর পরবর্তী গবেষণা ও সাধনার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে ওঠে।শিলচরে বিদ্যালয় ও গুরুচরণ কলেজে পড়াশোনার পর কালিকা প্রসাদ কলকাতায় যান এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। সাহিত্য ও সংগীতের এই যুগল সাধনা তাঁর দৃষ্টিকে আরও বিস্তৃত করে। লোকগানকে তিনি কেবল সুরের বিষয় হিসেবে নয়, সমাজ ও ইতিহাসের দলিল হিসেবেও দেখতে শুরু করেন।১৯৯৮ সালে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ফর দ্যা আর্টস-এর গবেষণা সহায়তায় তিনি শিল্পাঞ্চলের লোকসংগীত নিয়ে কাজ করেন। পূর্ব ভারতের গ্রামীণ ও শ্রমজীবী মানুষের গান, চা-বাগান, খনি ও শিল্পাঞ্চলের সংগীতের সামাজিক-অর্থনৈতিক পটভূমি তাঁর গবেষণার বিশেষ আগ্রহের বিষয় ছিল।দোহার’ : লোকগানের পুনর্জাগরণের আন্দোলন কালিকা প্রসাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি হলো ‘দোহার’। ১৯৯৯ সালে রাজীব দাসের সঙ্গে তিনি ‘দোহার’ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দোহার’ অর্থ সম্মিলিত কণ্ঠ বা chorus—নামটির মধ্যেই যেন লোকসংগীতের সমবেত আত্মা নিহিত ছিল।দোহার’-এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলার উত্তর ও পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বৃহত্তর লোক ঐতিহ্যের বহু বিস্মৃত গানকে নতুন শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়া। তাঁরা লোকগানের মূল সুর, ভাষা, বাদ্যযন্ত্র ও পরিবেশনের স্বকীয়তা যতটা সম্ভব অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করেছিলেন।কালিকা প্রসাদের বিশেষ কৃতিত্ব ছিল—তিনি লোকগানকে আধুনিক মঞ্চে নিয়ে গেলেও তার মাটির গন্ধ হারিয়ে যেতে দেননি। শহুরে শ্রোতাকে তিনি গ্রামের গান শোনালেন, কিন্তু গ্রামকে শহরের রুচির কাছে আত্মসমর্পণ করালেন না।কালিকা প্রসাদের শিল্পী সত্তার সঙ্গে গবেষক সত্তা ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল। তিনি বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে লোকগান সংগ্রহ করতেন, শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলতেন এবং গানের সামাজিক পটভূমি অনুসন্ধান করতেন। বাংলাদেশের বাউল-ফকিরদের আখড়া থেকে শুরু করে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন লোকসংগীতের ধারার সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল।তাঁর কাছে একটি লোকগান ছিল না শুধু একটি সুর। তার সঙ্গে যুক্ত ছিল—কোন মানুষ গানটি গেয়েছে, কোন সমাজে গানটির জন্ম, কোন শ্রম ও জীবনসংগ্রাম তার ভিতরে কথা বলছে এবং কীভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে গানটি বেঁচে আছে।এই দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে সাধারণ লোকগায়কের সীমা অতিক্রম করে লোকসংস্কৃতির অনুসন্ধানী শিল্পীতে পরিণত করেছিল।চলচ্চিত্র ও জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে অবদান কালিকা প্রসাদ চলচ্চিত্রেও সংগীত দিয়েছেন এবং কণ্ঠ দিয়েছেন। মনের মানুষ, জাতিস্মর এবং ভুবন মাঝি–সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্রের সঙ্গে তাঁর সংগীত সম্পর্ক ছিল। তিনি জনপ্রিয় বাংলা সংগীত-রিয়েলিটি অনুষ্ঠান ‘সা রে গা মা পা’ -এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ফলে লোকগানের শ্রোতা শুধু গ্রাম বা লোকসংগীতের পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকেনি, নতুন প্রজন্মের মধ্যেও তাঁর গান পৌঁছে যায়।লোকসংগীত সম্পর্কে তাঁর দর্শন কালিকা প্রসাদের সংগীত চিন্তার কেন্দ্রে ছিল শিকড়।তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি জাতির লোকগানের মধ্যে তার ইতিহাস, সামাজিক স্মৃতি এবং মানুষের অন্তর্গত জীবন জমা থাকে। তাই লোকসংগীতকে সংরক্ষণ করা মানে শুধু কয়েকটি পুরোনো গানকে বাঁচিয়ে রাখা নয়, বরং একটি সমাজের সাংস্কৃতিক স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা।এই কারণেই তাঁর পরিবেশনে লোক বাদ্যযন্ত্র, আঞ্চলিক সুর ও গানের নিজস্ব চরিত্র বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। তাঁর সংগীতের শক্তি ছিল সরলতায়—কিন্তু সেই সরলতার পিছনে ছিল দীর্ঘ গবেষণা ও সাধক।২০১৭ সালের ৭ মার্চ মাত্র ৪৬ বছর বয়সে কালিকা প্রসাদের জীবন থেমে যায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়। অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার পথে হুগলি জেলার গুড়াপের কাছে তাঁর গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় ‘দোহার’-এর আরও কয়েকজন সদস্য আহত হন।তাঁর মৃত্যু ছিল বাংলা লোকসংগীতের জন্য এক বিরাট আঘাত। কারণ তখনও তাঁর সামনে ছিল আরও বহু গান সংগ্রহের, আরও বহু লোকশিল্পীর কাছে যাওয়ার এবং লোক সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা।মৃত্যুর পরও যে সুর বেঁচে আছে কালিকা প্রসাদ চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর সাধনা থেমে যায়নি। ‘দোহার’-এর উত্তরসূরিরা তাঁর দেখানো পথ ধরে লোকসংগীতের চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর সংগৃহীত ও পরিবেশিত গান আজও নতুন প্রজন্মের শ্রোতার কাছে পৌঁছাচ্ছে।কালিকা প্রসাদের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—লোকগান আসলে মানুষের জীবন-গান। যে মাটিতে কৃষক লাঙল চালায়, যে চা-বাগানে শ্রমিকের ঘাম ঝরে, যে নদীর পাড়ে মাঝি গান গায়, যে পথে বাউল একতারা হাতে হাঁটে—সেই মানুষের জীবন থেকেই লোকসংগীতের জন্ম।কালিকা প্রসাদ সেই মানুষের কণ্ঠকে শহরের মঞ্চে এনে সম্মান দিয়েছিলেন।তাই তাঁর মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তাঁর সাধনার মৃত্যু হয়নি।শিলচরের মাটি থেকে উঠে আসা সেই শিল্পী বাংলা লোক সংগীতকে শুধু গান শোনাননি, তিনি আমাদের শিখিয়েছেন নিজের শিকড়ের দিকে ফিরে তাকাতে। তাঁর কণ্ঠে লোকগান হয়ে উঠেছিল মানুষের ইতিহাস, আর তাঁর গবেষণায় সেই ইতিহাস পেয়েছিল নতুন জীবন।কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য তাই একজন লোক গায়কের নামমাত্র নন—তিনি বাংলা লোকসংস্কৃতির এক নিবেদিত প্রাণ সাধক। তাঁর জন্ম ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ এবং মৃত্যু ৭ মার্চ ২০১৭—অর্থাৎ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৪৬ বছর। সবমিলিয়ে সে যেন এক স্মৃতির অধ্যায়ে চলে গেছে তবে যায়নি তাঁর লক্ষ্য, তাঁর দেখানো পথ, এবং তাঁর সাধনা।

Avatar photo
Author

নিউজ ডেস্ক যুববিচিত্রা

Follow Me
Other Articles
Previous

বিহারে ২.৫ লক্ষ BPL পরিবারে রুফটপ সোলার, সৌরবিদ্যুতের আওতায় ২২০০ কৃষি ফিডার

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About This Site

This may be a good place to introduce yourself and your site or include some credits.

Search

Recent Posts

  • লোকগানের প্রাণ সাধক কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্যেরজীবন, সংগীত চর্চা ও অকাল প্রয়াণের কিছু স্মরণীয় স্মৃতি!
  • বিহারে ২.৫ লক্ষ BPL পরিবারে রুফটপ সোলার, সৌরবিদ্যুতের আওতায় ২২০০ কৃষি ফিডার
  • শিলচর পৌরনিগম নির্বাচন ২০২৬: মনোনয়ন জমা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি
  • ভিএইচপির ৬২তম প্রতিষ্ঠা দিবসের বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাঙালি জাতীয় পরিষদের তিনসুকীয়া জেলা কমিটি গঠিত, বাঙালি স্বার্থে আন্দোলন জোরদারের হুঙ্কার !

Find Us

Address
H.O: Odalbakra Road, Lalganesh

Guwahati (M) -781034, Assam

Quick Links

About Us Citizen Journalist Advertise With Us

Contact Details

Odal Bakra Main Road, Lal Ganesh, Guwahati, Assam 781034

+91 9401159452

yubobichitra@gmail.com

Follow Us