২০৫০-এ বিশ্বে প্রবীণ ২১০ কোটি, নীতি বদলের আহ্বান গুতেরেসের
নয়া দিল্লি, ৩০ সেপ্টেম্বর :- বিশ্বে ৬০ বছর ও তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে বেড়ে ২১০ কোটিতে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
দীর্ঘায়ু ও বদলে যাওয়া জনমিতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতি ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, বর্তমানে বিশ্বে এই বয়সের মানুষের সংখ্যা প্রায় ১২০ কোটি। ২০৫০ সালে তাঁরা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হবেন।
দীর্ঘায়ু বৃদ্ধিকে “আমাদের সময়ের অন্যতম বড় সাফল্য” বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সামাজিক সুরক্ষার ফলে মানুষের আয়ু বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রবীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে সমাজ ও অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
এ বছরের দিবসের ভাবনা “দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবনের জন্য ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা”। কর্মসংস্থান, পেনশন, আবাসন, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও আজীবন শিক্ষার মতো ক্ষেত্রে নীতিগত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন গুতেরেস।
বয়সভিত্তিক বৈষম্য ও অনিশ্চয়তার মুখে থাকা প্রবীণদের কথা উল্লেখ করে তিনি পরিবার, সমাজ ও অর্থনীতিতে তাঁদের নেতৃত্ব এবং পরিচর্যাকারী হিসেবে অবদানের কথাও তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরের বছর প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। প্রতি বছর ১ অক্টোবর দিবসটি প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে পালিত হয়।
প্রজন্মের মধ্যে সংহতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে গুতেরেস বলেন, দীর্ঘ জীবন যেন “পছন্দ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা”-র সঙ্গে যাপন করা যায়, তা নিশ্চিত করাই নীতিনির্ধারকদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।