যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কড়া দাওয়াই, রাত আটটার পরে থাকা যাবে না ক্যাম্পাসে
সংবাদ সংস্থা, ১৫ সেপ্টেম্বর :- সময়ের পরে ক্যাম্পাসে পাওয়া গেলে অনুপ্রবেশকারী গণ্য হবে এবং আইনতঃ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের। যত কাণ্ড যাদবপুরে। ‘রাত আটটার পরে ক্যাম্পাসে কেউ যেন না থাকে। যদি কাউকে দেখা যায়, তাহলে তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই গণ্য করে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’। এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
যাদবপুরে কড়া নির্দেশিকা :-
আটটার পর থেকে ক্যাম্পাসে টহল দেবেন নিরাপত্তাকর্মীরাযদি ক্যাম্পাসে কাউকে দেখা যায়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নিরাপত্তারক্ষীদের হুমকি বা বচসা জড়ালেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যাঁরা ইভনিং ক্লাস করেন বা যাঁদের ল্যাবে কাজ করতে হয়, তাঁদের অবশ্য ছাড় দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় উল্লেখ, ‘সেক্ষেত্রে পরিচয়পত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকতে হবে। ক্লাস শেষে রাত সাড়ে ন’টায় ক্যাম্পাস ছাড়তে হবে’। এর আগে, চুনকাম বিতর্কের পর সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে বিল্ডিং, গেট ও সরকারি পরিকাঠামোয় লেখা বা মতপ্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার আর্জি জানিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের উপাচার্য। সঙ্গে ক্যাম্পাসে দেওয়া লিখনের জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করারও প্রস্তাবও। উপাচার্যের আবেদন ছিল, ‘জাতীয় আন্দোলনের চেতনা থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশ ঘটেছে। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা এবং মর্যাদা বজায় রাখা আমাদের সকলেই কর্তব্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল ও অন্যান্য কাঠামোয় নির্বিচারে দেওয়াল লিখন, গ্রাফিতি, পোস্টার লেখা বা এই ধরনের কোনও কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকুন। এই ধরনের কার্যকলাপ শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানেই সীমাবদ্ধ রাখুন। অন্যান্য দেওয়াল, ভবন, ফটক ও সরকারি কাঠামোয় লিখবেন না’। উপাচার্যের আরও বক্তব্য, ‘এমন কোনও লেখা বা মতপ্রকাশ করা উচিত নয় যা উসকানিমূলক, অবমাননাকর, আপত্তিকর বা জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ডতার পরিপন্থী, কিংবা যাকে ‘দেশবিরোধী’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে। এমন কোনও বক্তব্যও দেওয়া উচিত নয় যা বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অনুভূতি বা মর্যাদায় আঘাত করতে পারে অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিপূর্ণ ও সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন শিক্ষার পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে’।