বড়খলা সরকারি আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে ১০ কেভি জেনারেটরের উদ্বোধন বিধায়ক কমলাক্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন
কলেজের উন্নয়নে নতুন সংযোজন। কাটিগড়ার বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থের উদ্যোগে সরকারি আদর্শ মহাবিদ্যালয়, বড়খলায় একটি ১০ কেভি জেনারেটর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় বৃহস্পতিবার। কলেজের জন্য জেনারেটর মঞ্জুর করার বিষয়ে বিধায়কের পূর্বপ্রতিশ্রুতি এদিন বাস্তবায়িত হওয়ায় কলেজ পরিবারে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।এদিন এনসিসি ক্যাডেটদের আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ বিধায়ককে পুষ্পস্তবক ও উত্তরীয় দিয়ে সংবর্ধনা জানান। প্রদীপ প্রজ্বলন এবং ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের পর বিধায়ক শ্রী কমলাখ্য দে পুরকায়স্থ, অধ্যক্ষ ডঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ডঃ বিজিত গোস্বামী যৌথভাবে ১০ কেভি জেনারেটরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণে অধ্যক্ষ ডঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ কলেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এরপর বিধায়ক শ্রী কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে এক অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক মানসিকতার সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।গভর্নিং বডির সভাপতি ডঃ বিজিত গোস্বামী তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে আলোকিত করেন। পরবর্তী পর্যায়ে স্থানীয় জনগণ ও অভিভাবকেরা বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া বিধায়কের সামনে তুলে ধরেন। স্নাতক সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র শ্রী রোহিত পাল সকল ছাত্রছাত্রীর পক্ষ থেকে কলেজের বিভিন্ন জরুরি দাবি-দাওয়া সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিধায়কের হাতে তুলে দেন।স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলির বিষয়ে বিধায়ক শ্রী দে পুরকায়স্থ ইতিবাচক আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট তহবিল মঞ্জুরির প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে উত্থাপিত দাবিগুলি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন।অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ডঃ সুরশিখা দেবনাথের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী, বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।কলেজে ১০ কেভি জেনারেটরের সংযোজন বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। একইসঙ্গে এ উদ্যোগ বড়খলার এই গ্রামীণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।