দেখতে দেখতেই ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে পা দিল প্রয়াত জনপ্রিয় শিল্পী তথা অসমের হার্টথ্রব জুবিন গার্গের
১৯, ও ২০ সেপ্টেম্বর সোনাপুর জুবিন ক্ষেত্র ছিল আবেগিক পরিবেশের বন্ধনে,লোকে লোকারণ্য
জুবিন ক্ষেত্র যেন এক আবেগঘন ময়দানে পরিণত হয়েছিল ১৯ এবং ২০ সেপ্টেম্বর । দেখতে দেখতেই ১ম মৃত্যুবার্ষিকী হয়ে গেল জুবিন গার্গের। আবেগিক পরিবেশের বন্ধনে লোকে লোকারণ্য পরিবেশ ছিল সোনাপুর জুবিন ক্ষেত্র। সেখানে চোখ রাখলেই মনে হয়েছিল প্রাণের শিল্পী অসমের হার্টথ্রব সঙ্গীত জগতের হামিং কিং জুবিন দা যেন সেখানে সেই রাতে ফিরে এসেছে।দেখতে দেখতেই সঙ্গীত জগতের হামিং কিং অসমের হার্টথ্রব জুবিন গার্গের এক বছর সম্পন্ন হয়ে মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপিত হলো রাজ্য জুড়ে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন রকম শ্রদ্ধাঞ্জলি, রক্তদান শিবির, সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, ১০ লাখেরও বেশি ভক্তের ভিড় চোখে পড়ে তাঁর সমাধি ক্ষেত্র সোনাপুরে। গত দুদিনে যেন জুবিন দার গাওয়া একমাত্র গান “মই নথকার অনুভব” সেই গানটির কথা মনে করিয়ে দিল দুদিনের উপচে পড়া ভিড়।১৯ শে সেপ্টেম্বর, মধ্যরাতে ঘড়িতে যখন ১২:৩০ বাজলো, তখন যুব বিচিত্রা সম্পাদক হিসেবে সরোজমিন পরিদর্শন করে যা অনুভব হলো তাঁর বাস্তবায়ন যে দীর্ঘ আগেই রচনা করে গেছে প্রাণের শিল্পী জুবিন গার্গে, তাঁর এক জলন্ত প্রমাণ এই দুদিনে আবার ও উপলব্ধি হলো অনুরাগীদের।দুদিনে ১০ লাখেরও বেশি অনুরাগীর পদধুলিতে জুবিনদা-র সমাধি ক্ষেত্র যেন এক পুণ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে এমনটাই উপলব্ধি হলো।এদিকে, তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পিছিয়ে ছিল না কেউ, না হিন্দু,না মুসলমান,না অসমীয়া না বাঙালি,না হিন্দিভাষী সকলেই যেন তাঁর প্রেমে আপ্লুত, অশ্রুসিক্ত নয়নে তাঁর প্রতি নিজের মতো করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করতে দেখা যায় রাজ্যের সকলকেই। এতে প্রমাণ করে দিল যে তাঁর প্রতি অনুরাগীদের কেমন সম্পর্ক? কেমন আবেগের বশীভূত অনুরাগীরা? সত্যিকার অর্থে জুবিন যে সাধারণ মানুষের ও উর্ধে, তাঁর চিন্তা চেতনা মনের গতিবিধি যে ছিল উন্নত তাঁর সেই বাস্তব দৃশ্য আজ ও যেন অব্যাহত।