বরাকের যোগাযোগ ব্যবস্থার করুণ দশা, নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় জেলা প্রশাসন – এন.এইচ.ডি.সি.এল সহ জনপ্রতিনিধি, দূর্ভোগ জনতার
বরাক উপত্যকার সবকটি জাতীয় সড়কের ভয়াবহ দশায় অতীষ্ট নিত্যদিনের যাত্রী। করুণ দশায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বরাক উপত্যকার। যেখানে রয়েছে লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে ৩জন সাংসদ,১৩ জন বিধায়ক সহ দুই মন্ত্রীর উপত্যকা বরাক। আর আজ সেখানেই অপর্যাপ্ত উন্নয়ন, পথঘাট থেকে শুরু করে রেলওয়ে পরিষেবা এমনকি বিমান পরিষেবা। প্রশ্ন চিহ্নের মুখে বরাকের নিষ্ক্রিয় জনপ্রতিনিধিরা, এমনটাই দাবি দল সংগঠন সহ জনতার। অল্প বর্ষণে বরাক-ব্রহ্মপুত্রের রেল যোগাযোগ অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে,মেঘালয় এবং হাফলং রোড অবস্থা সংকটে রয়েছে। দুই উপত্যকার সমন্বয় টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে সন্দিহান জনগণ।
এদিকে, বরাকের সবকটি জাতীয় সড়কের ভগ্নদশায় চরম দূর্ভোগে যাত্রীরা সহ বরাকের মানুষ। একবছর পার হতে না হতেই ভগ্নদশা, কঙ্কালসার বেরিয়ে আসা জাতীয় সড়কের কাজের গুণগত মান নিয়ে বড়ো প্রশ্ন ?
শিলচর – বদরপুর ৩৭নং জাতীয় সড়ক , ধলেশ্বর-ভৈরবী ৫৩ নং জাতীয় সড়ক, জোয়াই – বদরপুর ৬নং জাতীয় সড়ক সবমিলিয়ে বরাক উপত্যকার সবকটি জাতীয় সড়কের ভগ্নদশায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে নিত্য যাত্রীরা, নির্বিকার প্রশাসন সহ জনপ্রতিনিধির দল।
প্রতি দূর্গা পূজার আগেই সংস্কারের কাজে হাত পড়ে বরাকের সবকটি জাতীয় সড়কের মেরামতে,এবার ও তাই হবে।তবে প্রশ্ন একটাই- ফের এক বছর হতে না হতেই ভেঙ্গে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে কঙ্কালসার বেরিয়ে আসতে দেখা যায় সড়কগুলোর! এ কেমন সংস্কার ? এবছরও কি তাই হবে,প্রশ্ন বরাকের জনতার?নাকি কাজের গুণগত মান সঠিক রাখতে বিধায়ক সহ সাংসদের ভূমিকা চোখে পড়বে?
একদিকে ধূলোর তাণ্ডব, অন্যদিকে বিরাট আকারের গর্তের মিছিলে যেন বরাক উপত্যকার সবকটি জাতীয় সড়কে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে জনতা, তবু ও উদাসীন রাজ্যের পূর্ত দফতর সহ এন.এইচ.আই.ডি.সি.এল!কেন কোথায় তাঁরা? নিজেরা ভিআইপি গাড়ি করে দৌঁড়ায় বলে ঠের পায়না সড়কের বেহাল অবস্থা, এমনটাই অভিযোগ।
এদিকে,বরাক উপত্যকার গুরুত্বপূর্ণ শিলচর – বদরপুর ৩৭নং জাতীয় সড়কের ভগ্নদশায় মুখ খুললেন স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি মিঠুন শুক্লবৈদ্য, তিনি বললেন সত্যিকারের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আমজনতার, তবে কাজের গুণগত মান গতবার বেজায় খারাপ হয়েছে যা এবছর স্থানীয় বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ নিজেই তদারকি করবেন এবং শীঘ্রই পদক্ষেপ নিয়ে পূজোর আগেই সংস্কারে হাত দিবে বিভাগ বলে জানান তিনি।
মোট কথা এবছর দূর্গোৎসবের আগেই সংস্কার হচ্ছে শিলচর – বদরপুর ৩৭নং জাতীয় সড়ক, বললেন মন্ডল সভাপতি মিঠুন শুক্লবৈদ্য। উল্লেখ্য, শিলচর থেকে শ্রীভূমি মাত্র দেড় ঘণ্টার পথ এই ভয়াবহ রাস্তার ফলে তিন ঘন্টায় অতিক্রম করতে হচ্ছে,বরাকের মানুষ জাতীয় সড়ক সমস্যায় কতটুকু জর্জরিত?? তবুও কেন ব্যর্থতা প্রশাসন সহ দুই মন্ত্রী এবং তিন সাংসদ? প্রশ্ন বরাকের জনতার!
এদিকে,শীঘ্রই বরাক – ব্রহ্মপুত্রের সমন্বয় টিকিয়ে রাখতে জাতীয় সড়ক এবং রেল পরিষেবা এই দুটিকে অন্ততঃ বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নখদর্পণে রেখে তিন সাংসদ সহ দুই মন্ত্রী বরাকের মানুষের কথা মাথায় রেখে কাজ করে যাওয়ার আর্জি জানান বিভিন্ন দল সংগঠন সহ আম জনতা।